News Ticker

Menu

Latest Post

Entertainment

Business

Technology

Lifestyle

Sports

Recent Posts

স্মার্টফোন ব্যবহারে আনুন নতুন মাত্রা

/ No Comments

এই যুগে অ্যান্ড্রয়েড সেট ব্যবহার করা খুব সাধারন ব্যাপার। আরো কিছু পদ্ধতির মাধ্যমে এটিকে আরও বেশি উপভোগ্য করে তুলতে পারেন। অ্যান্ড্রয়েড ব্যবহারকারীদের জন্য বেশ কিছু মোবাইল টিপস নিয়ে এই লিখা।

Google now ব্যবহার: ‘Google now’কে ব্যবহারকারীদের পারসোনাল অ্যাসিস্ট্যান্ট বলতে পারেন। এ অ্যাপটির সাহায্যে নিজের পছন্দ জানা, বিভিন্ন খবর, মানচিত্রের সাহায্যে পথ খোঁজাসহ সবকিছুই করতে পারবেন। এছাড়াও এটি বিভিন্ন ইভেন্টের ব্যাপারে আপনাকে মনে করিয়ে দেবে আগেই।

সব অ্যাপ ভিন্ন ভিন্ন ফোল্ডারে সংরক্ষণ : মোবাইল ডিভাইসটি গোছালো রাখতে সব অ্যাপসগুলো বৈশিষ্ট্যভেদে ভিন্ন ভিন্ন ফোল্ডারে সংরক্ষণ করুন। এতে প্রয়োজনের সময় সংশ্লিষ্ট অ্যাপ সহজেই খুঁজে পাওয়া যাবে। এছাড়া ভিন্ন ভিন্ন ফোল্ডারে বৈশিষ্ট্যভেদে অ্যাপ সংরক্ষণ অ্যান্ড্রয়েড ব্যবহারের অভিজ্ঞতায় নতুন মাত্রাও যোগ করবে।

লঞ্চার এবং লক স্ক্রিন রিপ্লেসমেন্ট ব্যবহার : অ্যান্ড্রয়েড ইন্টারফেসের গতানুগতির লঞ্চার এবং লক স্ক্রিনের পরিবর্তে ফোনটিকে সুন্দর করে সাজাতে গুগল প্লে স্টোর বিভিন্ন আকর্ষণীয় লঞ্চার ও স্ক্রিন লক অ্যাপ ব্যবহার করুন।

পাওয়ার সেভিং মোড ব্যবহার : বেশিরভাগ অ্যান্ড্রয়েড ফোনেই পাওয়ার সেভিং অপশনটি রয়েছে। মোবাইলের ব্যাটারি যাতে বেশি ব্যয় না হয় সেজন্য ফোনের সেটিংস মেন্যু থেকে পাওয়ার সেভিং মোড অপশনটি চালু রাখুন। কিছু মোবাইল ডিভাইসে উচ্চমাত্রায় পাওয়ার সেভিংয়ের অপশন থাকে। এর মাধ্যমে মোবাইল ডিভাইসের চার্জের অপব্যবহার বন্ধ রাখুন।

অতিরিক্ত ব্যাটারি ব্যবহার : অ্যান্ড্রয়েড ফোনে বিভিন্ন অ্যাপস ব্যবহারের কারণে সাধারণত চার্জ দ্রুত শেষ হয়। সব সময় হাতের কাছে চার্জার নাও থাকতে পারে বা ভ্রমণের ক্ষেত্রে অতিরিক্ত ব্যাটারি সঙ্গে রাখুন। এখন পাওয়ার ব্যাংক নামের একটি পোর্টেবল ব্যাটারি চার্জার বাজারে পাওয়া যায়। সেটি ব্যবহার করতে পারেন।

গুগল ক্রোম ব্যবহার : গুগল অ্যাকাউন্ট ব্যবহার করার ক্ষেত্রে অ্যান্ড্রয়েড ফোনে গুগল ক্রোম ব্রাউজার ব্যবহার করা হলে, কম্পিউটারে গুগল ক্রোম ব্যবহার করলে সেখান থেকে আপনার বুকমার্ক পেজগুলো ক্রোমের মোবাইল অ্যাপটিতে স্বয়ংক্রিয়ভাবে যোগ হয়ে যাবে।

থার্ড পার্টি কিবোর্ড ব্যবহার : অ্যান্ড্রয়েড ফোনে গুগলের নির্দিষ্ট কিবোর্ডটি ব্যবহারের পরিবর্তে নিজের পছন্দমতো কিবোর্ড ব্যবহার করার সুযোগ রয়েছে। এজন্য গুগল প্লে স্টোর থেকে থার্ড পার্টি কিবোর্ড অ্যাপ ডাউনলোড করে নতুনত্ব আনতে পারেন।

ক্রোমের ডাটা সাশ্রয়ী ফিচার ব্যবহার : অ্যান্ড্রয়েড ফোনের ক্রোম ব্রাউজারটিতে ‘Reduce Data Usage’ অপশনটি ব্যবহার করুন। এটি কম সময়ে ও নিরাপদে পেজ লোড নিতে এবং ব্যান্ডউইথ সাশ্রয় করতে সাহায্য করবে। এটি ব্যবহার করুণ।

ডিফল্ট অ্যাপস বদলান : কোনো লিংকে ক্লিক করলে যে ব্রাউজারে তা ওপেন হয় তা কি বদলাতে চান? এ ধরনের কাজে ব্যবহৃত ডিফল্ট অ্যাপ যদি বদলাতে চান তাহলে সেটিংসে গিয়ে অ্যাপ-সংলগ্ন ক্লিয়ার ডিফল্ট বাটনে চাপ দিন। বর্তমানে স্মার্ট ফোনের জন্য ইউসি ব্রাউজার বেশ নাম করেছে।

সবচেয়ে বড় কথা প্রযুক্তির সঙ্গে এগিয়ে যেতে হলে নিজেকেও সবসময় আপডেট রাখতে হবে।

মোবাইলের লক খোলার কার্যকরী উপায়

/ No Comments
মেথড ১

এই পদ্ধতিতে আপনি আপনার গুগল একাউন্ট থেকে Pattern Lock রিকভার করতে পারবেন। এজন্য আপনার ডিভাইস এ মাস্ট ইন্টারনেট কানেকশন থাকতে হবে। এই পদ্ধতিতে রিকভার করার জন্যে ৫ বার ভুল প্যাটার্ন দিন তারপর একটি অপশন আসবে এরকম– Forgot Pattern? আসলে এটার ভিতর যান এবং আপনার জিমেইল একাউন্ট এর আইডি পাসওয়ার্ড দিয়ে লগিন করুন। তারপর আপনাকে নতুন প্যাটার্ন দিতে বলবে এবং দিয়ে ফেলুন। এটি খুব সহজ মেথড এবং খুব দ্রুত আপনি প্যাটার্ন লক আনলক/রিকভার করতে পারবেন তবে ইন্টারনেট কানেকশন থাকতে হবে।

মেথড ২

আপনার ডিভাইস এ যদি ইন্টারনেট কানেকশন না থাকে তবে কি করবেন?? তখন করার কিছু নেই আপনার ডিভাইসটি ফ্যাক্টরি রিসেট দিতে হবে এই পদ্ধতিতে। তবে ডিভাইস এর ভিতর থেকে আমরা রিসেট করতে পারি অনেকেই কিন্তু রিকভারি মুড থেকে অনেকেই পারি না এমনকি জানি ও না কিভাবে করতে হয়। তবে বলে রাখি রিসেট করার পর আপনার ডিভাইস এর সকল অ্যাপ/ডাটা মুছে যাবে এবং ডিভাইস নতুন ভাবে রিসেট হয়ে আসবে যেমনটি মার্কেট থেকে কিনেছিলেন। সুতরাং করতে চাইলে নিচের পদ্ধতি দেখুন…

এজন্য প্রথমেই আপনার ডিভাইসটি বন্ধ করুন। কিভাবে বন্ধ অথবা সুইচ অফ করতে হয় তা নিশ্চয় বলে দিতে হবে না। এখন Volume up+power button অথবা Down+power button একসাথে প্রেস করে সেট অন করুণ। তবে বিভিন্ন কোম্পানির ডিভাইস এ এই পদ্ধতি বিভিন্ন রকম হয়ে থাকে তাই এটা কাজ না করলে নিচের যেকোনো একটা কাজ করবে…

১. Volume Down + Volume Up + Power button.
২. Volume Down + Power button.
৩. Volume Up + Power button.
৪. Volume Up + Home + Power button.
৫. Volume Up + Camera button.
৬. Home + Camera button.
৭. Home + Power button

উপরের যেকোনো একটা কম্বিনেশন কাজ করবেই আপনার ডিভাইস এ । তারপর আপনি রিকভারি মুড এ প্রবেশ করবেন এই পদ্ধতিতে। প্রবেশ করার পর Wipe Data / Factory Reset নামক একটা অপশন দেখতে পারবেন এবং অপশন টি সিলেক্ট করার জন্যে ডিভাইস এর ভলিউম বাটন ইউজ করুন উপর নিচে নামতে এবং পাওয়ার বাটন দিয়ে সিলেক্ট অথবা ওকে চাপতে পারবেন। এই অপশন টি সিলেক্ট করার পর আপনার কাছে কনফারমেশন পারমিশন চাওয়া হবে এবং ইয়েস দিয়ে দিন তাহলে আপনার ডিভাইস টি ফ্যাক্টরি রিসেট হবে এবং নতুন করে ডিভাইস চালু হবে এতে করে আপনার দেয়া পূর্বের সকল পাসওয়ার্ড মুছে যাবে এমনকি সব ডাটা ও ।

মেথড ৩

স্ক্রিন লক বাইপাস নামক একটি মেথড আছে যা Android 2.3.x অথবা তার নিম্ন ভার্সন এ কাজ করে এবং তার সাহায্যে পিসি থেকে মাত্র কয়েক ক্লিক এ আপনি প্যাটার্ন লক আউট করে দিতে পারবেন। যদিও এখন সবাই এর চেয়ে বেশি ভার্সন এর ডিভাইস ইউজ করেন তবুও কেউ যদি থেকে থাকেন তার জন্যে এই পদ্ধতি দিলাম। এতে করে আপনার ডিভাইস রুট করা থাকতে হবে না। এজন্য যা করতে হবে…


  • gingerbread_lock_bypass_droidiser.zip ফাইল টি আপনার পিসিতে ডাউনলোড করুন তারপর Winzip, Winrar, 7ZIP যেটাই থাকে তার সাহায্যে Extract করুন ফাইলটি।
  • আপনার ডিভাইস এর জন্যে প্রয়োজনীয় ড্রাইভার ইন্সটল করে নিন পিসি তে। ড্রাইভার এর লিংক দিতে পারলাম না কারন একেকজন একেকরকম কোম্পানির ডিভাইস ইউজ করেন সুতরাং ড্রাইভার ও ভিন্ন।
  • ড্রাইভার ইন্সটল করার পর অথবা করা থাকলে আপনার ডিভাইসটি পিসি তে কানেক্ট করুন।
  • একটু আগে যে ফাইলটি ডাউনলোড ও এক্সট্রাক্ট করেছেন তার ভিতর প্রবেশ করুন।
  • এবার Double_Click_Me.bat ফাইলটি ডাবল ক্লিক করে রান করুন এবং enter 1 to continue in the command window সিলেক্ট করুন।
সব ঠিকঠাক মতো থাকলে আপনার ডিভাইসটি আনলক করার ট্রাই করুন এবং প্যাটার্ন লক টি বাইপাস হয়ে যাবে।

মেথড ৪

এবার কথা হল আপনার ডিভাইস নতুন ভার্সন এর সুতরাং মেথড ৩ কাজ করবে না। সুতরাং আপনি কিভাবে কি করবেন ? তাই আপনার জন্যে মেথড ৪ দিচ্ছি। এই পদ্ধতিতে আপনার ডিভাইস এর যেকোনো পাসওয়ার্ড অথবা পিন/প্যাটার্ন লক আউট কিংবা বাইপাস করতে পারবেন তবে ডিভাইসটি মাস্ট রুট করা থাকতে হবে। ধরে নিলাম রুট করা আছে তাহলে নিচের স্টেপ অনুসরন করুন…


  • Reset Password Tool by Droidiser.zip ফাইল টি আপনার পিসিতে ডাউনলোড করুন তারপর Winzip, Winrar, 7ZIP যেটাই থাকে তার সাহায্যে Extract করুন ফাইলটি। আপনার ডিভাইস এর জন্যে প্রয়োজনীয় ড্রাইভার ইন্সটল করে নিন পিসি তে। ড্রাইভার এর লিংক দিতে পারলাম না কারন একেকজন একেকরকম কোম্পানির ডিভাইস ইউজ করেন সুতরাং ড্রাইভার ও ভিন্ন।
  • ড্রাইভার ইন্সটল করার পর অথবা করা থাকলে আপনার ডিভাইসটি পিসি তে কানেক্ট করুন।
  • একটু আগে যে ফাইলটি ডাউনলোড ও এক্সট্রাক্ট করেছেন তার ভিতর প্রবেশ করুন।
  • এবার Double_Click_Me.bat ফাইলটি ডাবল ক্লিক করে রান করুন এবং enter 1 to continue in the command window সিলেক্ট করুন।

সব ঠিকঠাক মতো থাকলে আপনার ডিভাইসটি আনলক করার ট্রাই করুন এবং ডিভাইস এ থাকা সকল প্রকার পাসওয়ার্ড পিন কিংবা প্যাটার্ন লক বাইপাস হয়ে যাবে।

মেথড ৫

ধরে নিলাম মেথড ৪ পর্যন্ত কোনটাই কাজ করলো না। তাহলে আপনার জন্যে মেথড ৫ এবং এটা ৫ নাম্বার এ দিলাম কারন একটু কঠিন এবং রিস্কি। তাহলে নিচের স্টেপ অনুসরন করুন…


  • প্রথমেই Aroma File Manager ডাউনলোড করে নিন পিসিতে। ডাউনলোড লিংক- https://www.dropbox.com/s/zzsnzj78jg581gc/aromafilemanager.80.zip
  • এবার পিসি থেকে ফাইলটি আপনার এসডি অথবা মেমরি কার্ড এর রুট ফোল্ডার এ কপি করুন অথবা রাখুন।
  • এবার রিকভারি মুড এ প্রবেশ করুন। কিভাবে করতে হবে তা মেথড ১ এ দেখিয়েছি।
  • ধরে নিলাম রিকভারি মুড এ প্রবেশ করেছেন। এবার Aroma File Manager ফ্ল্যাশ করুন। কিভাবে ফ্ল্যাশ করবেন? রিকভারি মুড এ দেখুন ফ্ল্যাশ ফ্রম এসডি কার্ড নামক অপশন আছে তাতে প্রবেশ করুন তারপর আপনার এসডি কার্ড থেকে কপি করা ফাইলটি সিলেক্ট করেন দিন এবং কনফার্ম করুন।
  • এবার মেনু অপশন এ ক্লিক করে সেটিং এ প্রবেশ করুন এবং Mount All Partitions সিলেক্ট করুন।
  • এবার Aroma File Manager বের হয়ে যান এবং আবার ফ্ল্যাশ করুন এটি।
  • এবার ফ্ল্যাশ করার পর আপনার ডিভাইস এ থাকা সব পার্টিশন দেখতে পারবেন।
  • এবার /data/system এ যান
  • এখন যদি প্যাটার্ন লক বাইপাস অথবা রিমুভ করতে চান তাহলে gesture.key ফাইলটি ডিলিট করুন (ডিলিট অপশন পেতে লং প্রেস করতে হবে)
  • যদি পাসওয়ার্ড রিমুভ করতে চান তাহলে password.key ফাইলটি ডিলিট করুন।
  • ডিলিট করা হয়ে গেলে Aroma File Manager এক্সিট করে দিন এবং রিবুট করুন ডিভাইস।
  • ডিভাইস অন হবে এবং সকল প্রকার কল বাইপাস হয়ে যাবে যদি ঠিকমতো ডিলিট করে থাকেন।

এই হল কার্যকরী কিছু মেথড লক বাইপাস/আনলক/রিকভার করার জন্যে। এছারাও প্লে স্টোর এ কিছু অ্যাপ পাওয়া যায় স্ক্রিন কল বাইপাস নামক। সেগুলো ইউজ করেও বাইপাস করতে পারবেন তবে ডিভাইস এ ইন্টারনেট কানেকশন থাকতে হবে অথবা পিসি থেকে ক্যাবল দিয়ে অ্যাপটি ইন্সটল করাতে হবে ডিভাইস এ এবং তারপর স্ক্রিন লক/প্যাটার্ন লক বাইপাস করতে পারবেন।

হারানো মোবাইল খুঁজে পাওয়ার উপায়

/ No Comments

আপনি একটু সচেতন হলে আপনার দামী মোবাইল ফোনটি চুরি হওয়ার পর চোরের হাত থেকে সহজেই উদ্ধার করতে পারেন।

মোবাইল কেনার পর করনীয়: মোবাইল কেনার পর প্রথম কাজটি হলো সেটি সিকিউর করা। এর জন্য নিচের পরামর্শগুলিকে পালন করুন।

১. ২৪ ঘন্টার জন্য মোবাইলকে ইন্টারনেটের সাথে কানেক্ট রাখুন। বাসায় যারা ওয়াইফাই ব্যবহার করেন তারা বাইরে যাওয়ার সময় মোবাইল ডেটা অন রাখুন। প্রয়োজনে মোবাইল সিকিউরিটির জন্য ৩১ দিনের একটা মোবাইল ডাটাপ্যাক ডেডিকেটেড রাখুন। অন্তত যেখানে চুরি হওয়ার ভয় থাকে সেখানে ইন্টারনেট অন করে রাখুন। এটা মোবাইল সহজে খুঁজে পাওয়ার একমাত্র পথ।

২. GPS বা লোকেশন সার্ভিস অন রাখুন ২৪ ঘন্টার জন্য। গুগল ম্যাপ আপনাকে পিনপয়েন্ট লোকেট করার জন্য GPS ব্যবহার করে। এটা বিপদকালীন সময়ে আপনাকে লোকেট করতে পুলিশের কাজে লাগে।

৩. মোবাইল অনুযায়ী নিচের কাজগুলো করুন।

Samsung:
i) Settings < Security < Find My Mobile < Remote Controls এক্টিভেট করুন। Add account এ Samsung এর ওয়েবসাইটের জন্য একটা একাউন্ট খুলুন। Use wireless network চেকবক্সে টিকমার্ক দিন, Location consent এ agree করুন।

Sony:
i) Settings < Security < my Xperia টাচ করুন, Activate টাচ করুন, তারপর Accept to agree to the terms and conditions for my Xperia. টাচ করুন। এটা my Xperia ওয়েবপেজে আপনাকে একটা একাউন্ট খুলতে বলবে। একাউন্ট খুলুন বা আপনি গুগল একাউন্ট দিয়ে লগইন করতে পারেন।

HTC:
i) প্রথমে আপনাকে HTCSense.com এ একটা একাউন্ট করতে হবে। এরপর আপনার ফোনের Settingss < Location এ Phone finder চেকবক্সে টিক মার্ক দিন। (অন্যান্য ফোনের ক্ষেত্রে আপনি গুগলে “how to find lost symphony mobile” ইত্যাদি মতো লিখে সার্চ করতে পারেন)
ii) Security Settings এ Device Administration এ ট্যাপ করুন। Android Device manager এক্টিভেট করুন।
iii) Settings এ Location Service এ ট্যাপ করুন। সবগুলো চেকবক্সে টিক মার্ক দিন।

(মোবাইল ভেদে উপরোক্ত সেটিং বিভিন্ন হতে পারে। আপনি যখন স্মার্টফোন ব্যবহার করছেন ধরে নিতে পারি আপনি নিজে নিজেই সিকিউরিটি সেটিংস করে নিতে পারবেন। প্রয়োজনে গুগলের আশ্রয় নিতে পারেন।)


  • উপরোক্ত ব্যবস্থার ফলে আপনার একাউন্টকৃত সাইটে গিয়ে মোবাইলটির পিনপয়েন্ট লোকেট করতে পারবেন এবং তাতে রিং করতে পারবেন। কাজগুলো ঠিক হয়েছে কিনা অন্য মোবাইল বা ল্যাপটপের মাধ্যমে রেজিস্ট্রিকৃত সাইটে লগইন করে পরীক্ষা করুন। সাইটে যদি মোবাইল নম্বর দেযার ব্যবস্থা থাকে তবে তা দিতে ভুলবেন না। এ নম্বরটি হবে আপনার অন্য সেটে ব্যবহৃত নম্বর। চুরি হওয়া সেটে সিম পরিবর্তন করলে অনেক সময় আপনি এ নম্বরে চোরের নম্বর ও লোকেশন তথ্য SMS অাকারে পেয়ে যাবেন।
  • কিছু কিছু সেটে উপরোক্ত সেটিংস নাও থাকতে পারে। থাকুক আর না থাকুক পাশাপাশি আরো দু তিনটি এপের সাহায্য নিন। নির্ভর করা যায় যেসমস্ত এপে, সেগুলোর কয়েকটি হলো TrestGo Inc এর Antivirus and Mobile Security, Kaspersky inyernet security, Cerberus anti theft, Prey Anti theft ইত্যাদি। সবগুলোরই ফ্রী ভার্সনের পাশাপাশী পেইড ভার্সন আছে। তবে Prey সম্পূর্ণ ফ্রী তিনটি মোবাইলের জন্য। কিছু কিছুর পাইরেট কপিও পাওয়া যায় টরেন্ট সাইটগুলোতে। দেখে শুনে পছন্দমত ইনস্টল করে নিন। যেগুলো এককালিন পরিশোধ করে সবসময় ব্যবহার করা যায় সেগুলোই ভালো। সবগুলোতে স্ব স্ব সাইটে একটা একাউন্ট ওপেন করতে হয় যা এপটি চালু করার সময়ই হয়ে যাবে। এপটিতে আপনার পছন্দমত সেটিং করে নিন। আমার মতে কমপক্ষে দুটি এপ ব্যবহার করা উচিত। যদি কোনো কারণে একটাতে হারানো ফোনটি লোকেট করতে না পারেন তবে অন্যটাতে চেষ্টা করতে পারবেন। এপগুলো ইনস্টল করার পর তারা ঠিকমত কাজ করে কিনা অন্য মোবাইলে বা কম্পিউটার থেকে সংশ্লিষ্ট সাইটে গিয়ে আপনার একাউন্টে লগইন করে পরীক্ষা করে দেখুন।
  • এপে বা রেজিস্ট্রিকৃত সাইটে ব্যবহৃত পাসওয়ার্ড টুকে নিয়ে সবময়ের জন্য সাথে রাখতে ভুলবেন না।
  • লক স্ক্রিনের জন্য পাসওয়ার্ড ব্যবহার করুন। এতে কেউ আপনার কৃত সেটিংস পরিবর্তন করতে পারবে না।
  • গুগল প্লে থেকে ফ্রী Smart lockscreen ইনস্টল করুন। এটি ওপেন করে Enable lockscreen অন করুন। আপ-রাইট কর্নারে সেটিং বাটনে টাচ করুন। Delay time টাচ করুন। এখানে সময় ৯০ ms এর নীচে সেট করুন। এতে করে চোর ফোন সাইলেন্ট বা পাওয়ার অফ করতে পারবে না। স্ক্রিন লক করে পাওয়ার বাটন চেপে ধরুন। দেখুন পাওয়ার মেনু আসে কিনা। যদি অনেক্ষন চেপে ধরার পরও পাওয়ার মেনু না আসে বা আসার সাথে সাথে চলে যায় তবে আপনি ঠিকভাবেই সেট করতে পেরেছেন। এবার আপনার মোবাইলটি চোরের হাত থেকে নিরাপদ হল।
  • মোবাইলে Dropbox ইনস্টণ করে রাখুন। ড্রপবক্সের Camera Upload একটিভ রাখুন। এতে আপনার হারানো ফোনে তোলা ফোটো Dropbox এ সেভ হয়ে থাকবে। এটা ফোনকে লোকেট করতে সাহায্য করবে। হয়তো চোরের নিজের ও তার আত্মীয় স্বজনের ছবিও আপলোড হয়ে যেতে পারে।
  • অটো Call Recorder এপটি ইনস্টল করে নিন। এর সাথে Dropbox কে কানেক্ট করুন। যদি চোর আপনার সেটে কোনো সিম ব্যবহার করে কল করে বা রিসিভ করে তবে তার অডিও রেকর্ড ড্রপবক্সে পাবেন। এ রেকর্ডের ফাইলের নামের মধ্যে তারিখ, সময় ও কলিং নাম্বার বা রিসিভ নাম্বারটাও পাবেন। এতে চোরকে আপনি ট্র্যাক করতে পারবেন।
  • মোবাইল ক্রয়ের কেশমেমো, ওয়ারেন্টি কার্ড, IMEI No. বক্সসহ নিরাপদে রাখুন। ফোনটি যে আপনার এগুলো তার প্রমাণ।

অ্যান্ড্রয়েড ফোন গরম হওয়া সমস্যার সমাধান

/ No Comments

আগে ফোন দিয়ে শুধু ফোনই করা যেত। তখন এত কিছু করার মত ক্ষমতা ছিল না ফোনের। কিন্তু সময়ের সাথে সাথে বাজারে এসে গেল স্মার্ট ফোন গুলি। যেগুলি দিয়ে অনেক কাজ একসঙ্গে করা সম্ভব সেই সঙ্গে ফোন গুলির দামও কমে যেতে থাকল। তাই তা এসে গেল সব রকম আর্থিক সামর্থযুক্ত মানুষের হাতের মুঠোয়। কিন্তু ফোন গুলিতে যেমন দিন দিন অনেক নতুন ফিচার যুক্ত হচ্ছে, সেই সঙ্গে অতিরিক্ত ফিচারের ফলে ফোন গুলি অনেক সময় গরম হয়ে যায়। কিন্তু এই তাপমাত্রা যখন অস্বাভাবিক হয়ে যায় তখন তাকে Overheating বলে।

Over Heating এর ফলে ফোনে কি কোন প্রভাব পড়তে পারে?
হ্যা অবশ্যই। ২৫ হাজার টাকার সোনি এক্সপিরিয়া ফোনও Over Heating এর কারণে মাদার বোর্ড পুড়ে যায়। ফলে আপনারাও সাবধান হয়ে নিন। এই ভুলের কারণে আপনার প্রিয় ফোন টিকে হারাতে হতে পারে। তাছাড়া এই কারণে ফোনের ব্যাটারী বার্স্ট হয়ে মানুষের মৃত্যু পর্যন্ত হতে পারে।

আশা করি সবাই বুঝে গেছেন। আজ আমি আপনাদের কতকগুলি টিপস দেবো যেগুলি মেনে চললে আপনার ফোন টিকে Over Heating এর সমস্যা থেকে বাঁচাতে পারবেন।

১) আপনি যত অ্যাপ ইনস্টল করবেন আপনার ফোন তত গরম হতে থাকবে। কারণ এমন অনেক অ্যাপ আছে যেগুলি না চালালেও সেগুলি background এ ram টানতে থাকে। আর আপনার ফোনের ram এবং processor যত বেশী সক্রিয় থাকবে তারা ততই তাপ উৎপন্ন করতে থাকবে। ফলস্বরূপ আপনার ফোনটিও গরম হয়ে যাবে। তাই চেষ্টা করুন সব অপ্রয়োজনীয় অ্যাপগুলি আপনার ফোন থেকে Uninstall করে দিতে।

২) Cache & Junk ফাইল গুলিকে আপনার ফোন থেকে মুছে ফেলুন। Cache হল জরুরীকালীন ডাটা যা Ram Access কমানোর জন্য CPU দ্বারা ব্যবহার করা হয়। এগুলি জমিয়ে রাখলে CPU কে আরো কঠোর ভাবে কাজ করতে হয়। এর ফলে ফোন শুধু শুধু গরম হয়ে যায়। এই ফাইল গুলিকে ডিলিট করার জন্য আপনারা Clean Master অ্যাপ টিকে ব্যবহার করতে পারেন।

৩) ফোন কে গরম হওয়ার হাত থেকে বাঁচাতে হলে Ram Booster Application গুলি ব্যবহার করুন। এগুলি ফোনের Background এর Running Application গুলি কে বন্ধ করে দেয়। ফলে স্বাভাবিক ভাবেই কম CPU Usage এর জন্য ফোন ঠান্ডা থাকে।

৪) 3G ও 4G পরিষেবা ব্যবহার করার সময় যদি ফোন ঠিক মত নেটওয়ার্ক না পায় তাহলে ফোন খুব তাড়াতাড়ি গরম হয়ে যায়। তাই এই পরিষেবা ব্যবহারের সময় নিশ্চিত হয়ে নিন যে আপনার ফোনে ফুল নেটওয়ার্ক আছে কি না।

৫) Wifi & Portable Wifi Hotspot ব্যবহার করলে ফোনের তাপমাত্রা খুব বেড়ে যায় এবং ব্যাটারি খুব তাড়াতাড়ি কমে যেতে থাকে। তাই অযথা এগুলি ব্যবহার না করাই ভাল।

মোবাইল নম্বর গোপন রেখে ফোন করার উপায়

/ No Comments

ফোন করবেন, কথা বললেন অথচ আপনার নম্বরটি রিসিভারের কাছে থাকবে না। যাকে বলে ম্যাজিক। তবে কীভাবে? নিশ্চয়ই জানতে ইচ্ছে করছে? কী করে এটা সম্ভব?

সবই সম্ভব, তো অ্যাপসের কেরামতি। নানা ধরনের অ্যাপ অবশ্য আগে থেকেই রয়েছে। তবে সেগুলো ব্যবহার করার জন্য একটি ভুয়া নম্বর ব্যবহার করতে হয়। কিন্তু এখন আর এসব ঝামেলা নেই। জেনে নিন, কীভাবে মোবাইল নম্বর গোপন রেখে কল করা যায়- এমনটাই জানা গেছে কলকাতা24-এ।

Voxox, Lifehacker, Spoofcard, Tracebust, CallerIDFaker- এসব অ্যাপের সাহায্যে কাউকে ফোন করার সময় বদলে ফেলা যায় নিজের মোবাইল নম্বর। এক্ষেত্রে অ্যাপটি ব্যবহারকারীর আসল নম্বর লুকিয়ে রাখে এবং ব্যবহারকারীর দেয়া অন্য একটি ভুয়া নম্বর প্রদর্শন করে থাকে।

এসব অ্যাপের মধ্যে সবচেয়ে জনপ্রিয় Tracebust অ্যাপ। তবে প্রাথমিকভাবে এর ট্রায়াল ভার্সন ব্যবহার করা যাবে। কিন্তু পরবর্তীতে ব্যবহারের জন্য টাকা দিয়ে কিনতে হবে।

অ্যান্ড্রয়েড স্মার্টফোনের হ্যাং (ফ্রিজ) সমস্যার কারণ এবং প্রতিকার

/ No Comments

আপনি যত হাই এন্ডের স্মার্টফোনই ব্যবহার করে থাকেন না কেন নিশ্চয়ই কখনও না কখনও আপনার স্মার্টফোনে হ্যাং হয়ে যাওয়া বা, ফ্রিজ হয়ে যাওয়া সমস্যাটির সম্মুখীন হতে হয়েছে আপনাকে। হ্যাঁ, হাই এন্ডের ফ্ল্যাগশিপ ডিভাইসগুলোতেও এই সমস্যাটি দেখা যায়; খুবই কম সংখ্যকবারের জন্য হলেও বেশি মূল্যের স্মার্টফোনেও এই সমস্যাগুলোর দেখা মেলে। আর লো-এন্ডের স্মার্টফোন ব্যবহারকারীদের প্রায়ই এই সমস্যার সম্মুখীন হতে হয়, যেমন আমাকে। কিন্তু কেন এই ফ্রিজ সমস্যাটি দেখা দেয়? চলুন, সমস্যাটির কারণ এবং প্রতিকার সম্পর্কে জেনে নেয়া যাক।

ফ্রিজ সমস্যার কারণ:

প্রথমে চলুন স্মার্টফোনের এই হ্যাং হয়ে যাওয়া বা ফ্রিজিং সমস্যার পেছনের সম্ভাব্য কারণগুলো জেনে নেয়া যাক।

  • একসাথে অনেকগুলো অ্যাপলিকেশন রান করে রাখলে।
  • ইন্টারনাল স্টোরেজ পূর্ণ হয়ে গেলে।
  • এক্সটারনাল স্টোরেজ একেবারে পূর্ণ হয়ে গেলে।
  • ইন্টারনাল স্টোরেজে বেশি সংখ্যক অ্যাপলিকেশন বা গেম ইন্সটল করা হলে।
  • কুকি, ক্যাশ এবং লগ ফাইল বেশি জমে গেলে।
  • অনেক বেশি অ্যাপলিকেশন ইন্সটল করলে।
  • লো-র‍্যামেও বড় আকারের অ্যাপলিকেশন রান করলে।
  • ভারী থিম ব্যবহার করলে।
  • আনসাপোর্টেড বা কম্প্যাটিবল নয় এমন অ্যাপলিকেশন বা গেম ইন্সটল করলে।
  • স্মার্টফোনের অ্যানিমেশনের স্কেল বাড়িয়ে ব্যবহার করলে।

ফ্রিজ সমস্যার প্রতিকার:

আমরা ফ্রিজ সমস্যার পেছনে কাজ করা সম্ভাব্য কারণগুলো সম্পর্কে জেনে নিয়েছি। এবার চলুন, এই সমস্যা থেকে কীভাবে কিছুটা হলেও প্রতিকার পাওয়া যাবে সেসম্পর্কে জেনে নেই।

  • যতটুকু সম্ভব আপনার স্মার্টফোনের ইন্টারনাল মেমরি ফাঁকা রাখতে চেষ্টা করুন। এক্ষেত্রে যে অ্যাপলিকেশন বা গেমগুলো মেমরি কার্ডে ইন্সটল করা সম্ভব সেগুলো মেমরি কার্ডে ইন্সটল করুন। এতে করে ইন্টারনাল মেমরির উপর থেকে প্রেশার কমে যাবে। ইন্টারনাল মেমরি ফাঁকা রাখলে ফ্রিজিং প্রবলেম হয় না বললেই চলে। নোট – তবুও যদি ইন্টারনাল মেমোরিতে বেশ কিছু অ্যাপলিকেশন ইন্সটল হয়ে যায় তবে স্মার্টফোন রুট করে লিংক২এসডি টুলটির সাহায্যে সহজেই সেই অ্যাপলিকেশনগুলোকে আপনি মেমরিকার্ডে ট্রান্সফার করতে পারবেন। তবে যদি আপনি খুবই বেসিক পর্যায়ের ব্যবহারকারী হয়ে থাকেন তবে রুটিং প্রসেসে না জড়ানোই আপনার জন্য শ্রেয় বলে আমি মনে করি।
  • অপ্রয়োজনীয় অ্যাপলিকেশনগুলো আপনার স্মার্টফোন থেকে আনইন্সটল করে দিন। এর ফলে শুধুমাত্র স্টোরেজই নয় বরং আপনার স্মার্টফোনের কিছু র‍্যাম রিসোর্সও ফাঁকা হবে এবং অ্যান্ড্রয়েডের এই ফ্রিজিং সমস্যাও কিছুটা কমবে। নোট – যদি অপ্রয়োজনীয় অ্যাপলিকেশনগুলো আপনার পরে লাগতেও পারে বলে মনে করেন তবে সেগুলো না হয় কম্পিউটার বা মেমরি কার্ডে সংরক্ষণ করে রাখলেন যাতে প্রয়োজনের সময় কোন ডাটা সংযোগ ব্যবহার না করেই সেগুলো আবার আপনি খুব সহজেই ইন্সটল করে নিতে পারেন।
  • এমন কোন অ্যাপলিকেশন বা গেমস ব্যবহার করবেন না যেগুলোর রিকোয়েরমেন্টে যে স্পেসিফিকেশনগুলো চাওয়া হয়েছে সেগুলো আপনার স্মার্টফোনটিতে নেই।
  • আপনার স্মার্টফোনে র‍্যাম রিসোর্স তুলনামূলক ভাবে কম থাকলে ভারী অ্যাপলিকেশন বা গেম রান করবেন না। এতে করে স্মার্টফোন হ্যাং হবেনা বা কোন ল্যাগ অনুভূত করবেন না আপনি।
  • বড় কোন অ্যাপ বা গেম রান করার সময় সিস্টেমের অপ্রয়োজনীয় প্রসেসগুলো কিল করে নিতে পারেন। অ্যান্ড্রয়েডে সিস্টেম টাস্ক কিল করার জন্য ডিফল্ট টাস্ক কিলার রয়েছে তবে আপনি চাইলে ‘Advance Task Killer’ বা ‘Easy Task Killer’ নামের অ্যাপলিকেশনগুলো ব্যবহার করতে পারেন।
  • ব্রাউজ করার সময় যথাসম্ভব কম ট্যাব খুলে কাজ করতে চেষ্টা করবেন। কেননা বাজেট স্মার্টফোনগুলোতে বেশি ট্যাব অতিরিক্ত র‍্যাম রিসোর্স ব্যবহার করে থাকে ফলে স্মার্টফোনটি হ্যাং বা ফ্রিজ সমস্যার সম্মুখীন হতে পারে।
  • কিছুদিন পরপর বিভিন্ন অ্যাপলিকেশনের কুকি, লগ ফাইল এবং ক্যাশ ফাইলগুলো পরিষ্কার করুন।

অ্যান্ড্রয়েড ফোনকে -super fast- করার দুর্দান্ত ৭টি মেগা টিপস

/ No Comments

বর্তমানে চারপাশে যেদিকেই তাকাবেন প্রায় সবার হাতেই ‘অ্যান্ড্রয়েড অপারেটিং সিস্টেমের’ স্মার্টফোন দেখতে পারবেন। এরকম নয় যে অন্যান্য অপারেটিং সিস্টেমের স্মার্টফোন মানুষ ব্যবহার করেনা তবে অ্যান্ড্রয়েড ফোনের আধিক্য বেশি। এর মূল কারণ হচ্ছে এই অপারেটিং সিস্টেমের চমৎকার সব স্মার্টফোন যেমন কিনতে অনেক টাকা লাগে ঠিক তেমনি এর লো-এন্ড ফোনগুলোর দামও আবার থেকে যায় হাতের নাগালের মধ্যেই। তবে, অ্যান্ড্রয়েড স্মার্টফোনের একটি কমন সমস্যা হচ্ছে এটি সময়ের সাথে সাথে কিছুটা ধীর গতির হয়ে যায়। তাই, আজকে আমি কিছু টিপস শেয়ার করব যার সাহায্যে সম্পুর্ণ না হলেও আপনার স্মার্টফোনটিকে অনেকাংশেই স্মুথ করে তোলা সম্ভব হবে।

১। আপনার স্মার্ট ফোনটির ফার্মওয়্যার আপডেট করুনঃ

আপডেটেড ফার্মওয়্যার অনেক ক্ষেত্রেই কিছু ল্যাগের সমস্যা দূর করে থাকে। ‘আপডেট’ এর অর্থই হচ্ছে আগের তুলনায় নতুন কিছু সুবিধা যোগ করা। আর, ফার্মওয়্যার আপডেটের মাধ্যমে স্মার্টফোন ছাড়াও প্রতিটি ডিভাইসেরই কম-বেশি ক্যাপাবিলিটি বৃদ্ধি পেয়ে থাকে। অনেক সময় হয়ত সেই পরিবর্তন আপনার চোখে পরবে না তবে এমন অনেক ত্রুটি মুক্ত করার জন্য স্মার্টফোনের ফার্মওয়্যার আপডেট করা জরুরী।

২। আপনার অ্যান্ড্রয়েড ফোনটি ‘রিসেট’ করুনঃ

আমরা সবাই জানি যে ‘রিসেট’ করার অর্থ হচ্ছে ‘পুনঃস্থাপন করা’ বা ‘নতুন করে করা’, আর স্মার্টফোনের ক্ষেত্রেও ‘রিসেট’ অপশনটি ঠিক এর অর্থের মতই কাজ করে। আপনার নিশ্চয়ই মনে আছে যে আপনি যখন আপনার স্মার্টফোনটি কিনে এনেছিলেন তখন আপনার স্মার্টফোনটির অপারেটিং ছিল ভীষন স্মুথ? কিন্তু, সময়ের সাথে সাথে আপনার অ্যান্ড্রয়েড স্মার্টফোনটির মধ্যে নানা রকম ফাইল জমা পরার কারনে সেই স্মার্টফোনটি হয়ে গিয়েছে ল্যাগি। এক্ষেত্রে আপনি যদি আপনার স্মার্ট ফোনটি ‘ফ্যাক্টোরি রিসেট’ করেন তবে স্মার্ট ফোনটি থেকে সব ফাইল মুছে গিয়ে ঠিক সেই প্রথম কিনে আনার দিনের মত স্মুথ হয়ে যাবে। সব ফাইল বলতে আমি আপনার ব্যবহারের জন্য যে ফাইল গুলো জমা হয়েছিল সেগুলোই বুঝাচ্ছি। কিন্তু এতে করে যেহেতু সিস্টেম ফাইল মুছে যাচ্ছেনা তাই আপনি রিসেট করার পর পাবেন একদম স্মুথ একটি স্মার্টফোন।

সতর্কতাঃ ‘ফ্যাক্টোরি রিসেটের’ ফলে আপনার স্মার্ট ফোনের ইন্টারন্নাল স্টোরেজে থাকা প্রয়োজনীয় কন্টাক্ট, ক্ষুদে বার্দা, ক্যালেন্ডার এনট্রি, মেমো এবং আপনি যে অ্যাপলিকেশন গুলো ব্যবহার করতেন – এগুলো সব মুছে যাবে। তাই, রিসেট করার পূর্বে অবশ্যই প্রয়োজনীয় সব তথ্য গুলো ব্যাক-আপ নিয়ে রাখুন। যদিও, গুগলের অ্যাকাউন্ট ব্যবহারের ফলে কন্টাক্ট এবং ক্যালেন্ডার এন্ট্রি সহ কিছু ক্ষেত্রে ক্ষুদে বার্তাও সিনক্রোনাইজড হয়ে থাকে।

৩। মাঝে মাঝেই আপনার ফোনের ইন্টারনাল স্টোরেজ চেক করুনঃ

স্মার্ট ফোনের মেমরীর পরিমান কমে গেলে স্মার্ট ফোনে আপনি ল্যাগ অনুভব করতে পারেন। এজন্য, আপনি মাঝে মাঝে আপনার ইন্টারনাল ফাইলে জমে থাকা গেমস, অ্যাপলিকেশন, মিডিয়া ফাইল যেমন, গান, ভিডিও ইত্যাদি এক্সটার্নাল স্টোরেজ তথা মেমরী কার্ডে চালান (ট্রান্সফার) করে দিন। তবে, বেশির ভাগ লো-এন্ড স্মার্টফোনের ইন্টারনাল স্টোরেজের পরিমাণ কম হয়ে থাকে বিধায় এই টিপসটি সেই সব স্মার্ট ফোনে কাজ নাও করতে পারে।

৪। প্রয়োজনীয় অ্যাপ্লিকেশন ব্যবহার করতে পারেনঃ

আপনি গুগল প্লে স্টোর থেকে টাস্ক কিলারের মত কিছু প্রয়োজনীয় অ্যাপলিকেশন ইন্সটল করে ব্যবহার করতে পারেন।

● পুরোনো স্মার্ট ফোন গুলোর ক্ষেত্রে ব্যবহার করতে পারেন ‘auto task killer’ অ্যাপলিকেশনটি। এটি আপনার নির্ধারিত ‘n’ সময় অন্তর অন্তর আপনার নির্ধারিত কিছু অ্যাপলিকেশনের প্রোসেস কিল করে স্মার্ট ফোনের র‍্যাম ফ্রি করতে সাহায্য করবে এবং স্বাভাবিক ভাবেই, বেশি র‍্যাম ফ্রি থাকার অর্থ হচ্ছে স্মার্ট ফোন দ্রুত অপারেট হবে।

● ভালো মানের একটি এন্টিভাইরাস অ্যাপলিকেশন ব্যবহার করতে পারেন। কম্পিউটারের মত স্মার্টফোনও নানা রকম ভাইরাস এবং ম্যালওয়্যার দ্বারা আক্রান্ত হয়ে থাকে এবং একটি ভালো এন্টিভাইরাস দিয়ে এই সকল ভাইরাস এবং ম্যালওয়্যারকে সনাক্ত করান এবং পরে মুছে ফেললে আপনার স্মার্টফোনটিকে কিছুটা হলেও গতিশীল করবে।

● ব্যবহার করতে পারেন ‘start up manager’ এর মত কিছু অ্যাপলিকেশন। এই অ্যাপলিকেশনের ফলে আপনি আপনার ফোন বুট বা রিস্টার্ট হবার সময় নির্ধারন করে দিতে পারবেন যে ঠিক কোন অ্যাপলিকেশন গুলো সক্রিয় হবে আর কোন গুল নিষ্ক্রিয় থাকবে।

● ‘Juice defender’ টাইপের অ্যাপলিকেশনগুলো অনান্য অ্যাপলিকেশন গুলোকে ব্যাকগ্রাউন্ডে অটোমেটিক স্টার্ট হতে না দিয়ে আপনার ফোনের এবং আপনার ফোনের ব্যাটারীকে সাপোর্ট দিয়ে যাবে।

● ‘cache cleaner’ অ্যাপলিকেশনগুলো মোবাইলের মেমরীতে জমে থাকা বিভিন্ন রকম কেচ ফাইল মুছে দিয়ে স্মার্টফোনকে স্মুথ করবে।

● ‘Apps to SD card’ অ্যাপলিকেশনটি একটি প্রয়োজনীয় অ্যাপলিকেশন। এর সাহায্যে আপনি আপনার স্মার্ট ফোনের ইন্টারনাল স্টোরেজে ইন্সটলড থাকা অ্যাপলিকেশনগুলো আপনার ফোনের এক্সটার্নাল মেমরী কার্ডে ট্রান্সফার করতে পারবেন এবং এতে করে ইন্টার্নাল স্টোরেজ ফ্রী হবে, বিধায় কিছুটা হলেও স্মার্ট ফোন দ্রুত কাজ করবে। তবে মনে রাখবেন, এই অ্যাপলিকেশনটির সাহায্যে সকল প্রকার অ্যাপলিকেশনই মেমরী কার্ডে ট্রান্সফার করা সম্ভব হবেনা, কিছু কিছু অ্যাপলিকেশন ট্র্যান্সফার করার জন্য আপনার ফোনটিকে ‘রুট’ করে নিতে হবে।

● ’Spare parts’ জাতীয় অ্যাপলিকেশনগুলো কিছুটা অ্যাডভান্স লেভেলের কনফিগারেশন প্যানেলে আপনাকে এক্সেস করতে দিবে, যেমন ধরুন- ট্র্যানজিশান অ্যানিমেশন কনট্রোল।

৫। অপ্রয়োজনীয় অ্যাপলিকেশন গুলো মুছে ফেলুনঃ

আমরা বিভিন্ন সময়ে প্লে স্টোরে ঘুরতে ঘুরতে দেখা যায় অনেক রকম অ্যাপলিকেশন ইন্সটল করি কিন্তু পরবর্তী সময়ে সেই অ্যাপলিকেশন গুলো খুব একটা ব্যবহার করিনা। এরকম অপ্রয়োজনীয় অ্যাপলিকেশন মুছে ফেলা উচিৎ। এতে করে স্মার্টফোনের র‍্যাম ফ্রি থাকবে এবং ফলাফল স্বরূপ আপনার স্মার্ট ফোনটি আগের তুলনায় কিছুটা হলেও ল্যাগ ফ্রি হবে।

৬। স্মার্ট ফোনটি রিস্টার্ট করুনঃ

আমরা কম্পিউটারে কোন সমস্যায় পরলে কম্পিউটার রিস্টার্ট দিয়ে থাকি, তাতে করে কম্পিউটারের সমস্যা কিছু ক্ষেত্রে দূর হয়ে যায়। স্মার্ট ফোনের ব্যপারটি একই। যদিও, এই ট্রিকসটি একটি টেম্পোরারী অপশন, তবুও এটা কাজ করে।

৭। আপনার স্মার্ট ফোনটি রুট করুনঃ

স্মার্ট ফোন ‘রুট’ করার ফলে আপনি কিছু অ্যাডিশনাল সুবিধা পাবেন এবং সেই সুবিধা গুলোকে কাজে লাগিয়ে আপনি আপনার স্মার্ট ফোনটি আরও ভালো ভাবে কাজে লাগাতে পারবেন। যদিও এক্ষেত্রে রুটিং প্রোসেসটি এক প্রকারের রিস্কি সমাধানের পর্যায় পরে তবে এখন ইন্টারনেটে বিভিন্ন সাইট এবং ফোরামের কল্যাণে স্মার্ট ফোন ‘রুট’ করা এখন বলা চলে অনেক সহজ এবং ঝুঁকির পরিমানও ঠিক আগের মত নেই। ঝুঁকির কথা বললাম কেননা, আপনি যদি রুট করার সময় সফল না হন তবে আপনার স্মার্ট ফোনটি ব্রিক অবস্থায় চলে যেতে পারে। আবার, আপনি সফল ভাবে রুটিং প্রোসেস সম্পন্ন করলেও আপনার স্মার্ট ফোনের সাথে দেয়া ‘ওয়ারেন্টির’ অফারটা শেষ হয়ে যাবে যদিও এখন আপনি চাইলেই আপনার রুটেড অ্যান্ড্রয়েড ডিভাইসটি আন-রুট করতে পারবেন এবং ওয়ারেন্টি ফিরে পাবেন। এখন বলি যে, একটি অ্যান্ড্রয়েড অপারেটিং সিস্টেম চালিত স্মার্ট ফোন স্পিড আপ এর সাথে এই রুটিং এর কী সম্পর্ক।

● ওভার ক্লকঃ আপনি আপনার অ্যান্ড্রয়েড ডিভাইসটি রুট করার পর ডিভাইসের প্রসেসরটি ওভারক্লক করতে পারবেন এবং একটি ওভার ক্লকড প্রসেসর স্বাভাবিক ভাবেই স্বাভাবিক অবস্থায় থাকা প্রসেসরের তুলনায় বেশি পরিমান কাজ করতে সক্ষম হবে। তাই, প্রসেসর ওভার ক্লক করার মাধ্যমে আপনি এভাবেই আপনার অ্যান্ড্রয়েড স্মার্টফোনটির গতি বৃদ্ধি করতে পারবেন।

● কাস্টম রমের ব্যবহারঃ আপনি আপনার অ্যান্ড্রয়েড ডিভাইসটি রুট করার পর ডিভাইসটিতে কাস্টম রম ব্যবহারের সুবিধা পাবেন। যদিও, কাস্টম রম ব্যবহার কিছুটা অ্যাডভান্স লেভেলের পর্যায়ে পরে এবং ঝুঁকি পূর্ন তবুও কাস্টম রম ব্যবহার করে স্মার্ট ফোনের গতি বৃদ্ধি করা যায় খুব সহজেই। কেননা, কাস্টম রমে অপ্রয়োজনীয় অ্যাপলিকেশন থাকে না বললেই চলে এবং এর ফলে কোন অ্যাপলিকেশন অহেতুক স্মার্ট ফোনের র‍্যামের রিসোর্স ব্যবহার করেনা এবং এছাড়াও কাস্টম রম ব্যবহারের ফলে স্মার্ট ফোনের কিছু বাগ ফিক্স হয়ে যায়। তবে ঝুঁকির কথা বললাম এজন্যেই যে মাঝে মাঝে কাস্টম রম গুলো স্ট্যাবল হয় না এবং এর ফলে নানা রকম সমস্যা দেখা দিয়ে থাকে।

● অপ্রয়োজনীয় সিস্টেম অ্যাপ মুছে ফেলতে পারবেনঃ প্রতিটি অ্যান্ড্রয়েড স্মার্ট ফোনের স্টক রমে দেখা যায় নানা রকম অ্যাপলিকেশন প্রি-ইন্সটলড করা থাকে যা অনেকেই ব্যবহার করেন না। ‘রুট’ করার ফলে আপনি যেহেতু আপনার ডিভাইসের অ্যাডমিনিস্ট্রেশন ক্ষমতা হাতে পাচ্ছেন সে কারনে আপনি চাইলে সিস্টেমে ইন্সটল্ড থাকা অপ্রয়োজনীয় অ্যাপগুলো মুছে ফেলতে পারবেন ফলে আপনার স্মার্ট ফোনটি কিছুটা হলেও হবে স্মুথ এবং দ্রুত গতির।